Showing posts with label জানা-অজানা তথ্য. Show all posts
Showing posts with label জানা-অজানা তথ্য. Show all posts

Friday, 1 November 2013

মধ্যবয়স্কা নারীদের প্রতি ছেলেরা আকৃষ্ট হয় কেন?

সুন্দরী তরুণী বিস্মিত হন এই ভেবে যে, কেন ছেলেরা মধ্যবয়স্ক নারীদের প্রতি বেশি আকৃষ্ট হয়। দিন দিন এই ধরনের সম্পর্ক বেড়েই চলেছে। এতে আশ্চর্য হওয়ার কিছু নেই। মধ্যবয়স্ক নারীর মধ্যে শারীরিক ও চারিত্রিক বহু আকর্ষনীয় বৈশিষ্ট আছে।

আর এ সৌন্দর্য তারা সুন্দরভাবে মেলেও ধরতে পারেন। ছেলেরা এই লুকায়িত সৌন্দর্যই খুঁজে বেড়ায় এবং এতে মুগ্ধ হয়। সবচেয়ে বড় কথা সুন্দরী, অবিবাহিত তরুণীরা যত আকর্ষণীয় হোক না কেন একজন মধ্যবয়স্ক নারীর পূর্ণতার কাছে অনেক ক্ষেত্রেই আনাড়ি তারা।


গবেষণায় বিশেষজ্ঞরা ৭টি কারণ খুজেঁ বের করেছেন, যার কারণে ছেলেরা মূলত মধ্যবয়স্কা মেয়েদের প্রতি আকর্ষণ অনুভব করে:
১. আত্মবিশ্বাস: নিজের সম্পর্কে পরিষ্কার জ্ঞান এ বয়সে নারীদের আত্মবিশ্বাসী করে তোলে। এই ভারসাম্য ও আত্মপ্রত্যয়ী মনোভাবই তাকে ভেতর থেকে তীব্র আবেদনময়ী ও আকর্ষণীয় করে তোলে। আত্মবিশ্বাসী নারীরাই পুরুষের কাছে কাম্য।
২. দায়ীত্বশীলতা: মধ্যবয়স্কা নারী নিজেকে গড়ে তোলার জন্য যথেষ্ট পরিশ্রম করেন। তারা কী চান সেটা তারা ভালো করেই জানেন তাই তাদের লক্ষ্য স্থির ও স্বচ্ছ থাকে। মধ্যবয়স্ক নারীই পারে একজন মানুষকে জীবনের আঁকাবাঁকা পথ চেনাতে, আস্থা তৈরি করতে, ওপরে উঠার প্রবল ইচ্ছাশক্তি তৈরি করতে এমনকি প্রবল আত্মসম্মানবোধ  তৈরি করতে। জীবনের অভিজ্ঞতা থেকে তিনি একটি মানুষকে কল্পনার জগতে ভেসে বেড়াতে নয়, জীবনের অমোঘ বাস্তবতা শেখাতে পারেন।
৩. স্বাধীনতা: সাধারণত অধিকাংশ মধ্যবয়স্কা নারী কোন ভনিতা ছাড়াই পুরোপুরি খুশি থাকে। একজন পুরুষকে তার আবশ্যিক করে তোলার কোন দরকার পড়ে না। তিনি কখনোই তার ওপর নির্ভর করেন না, এমনকি তার নিজের ডিনার অথবা কফির বিল নিজেই দেয়ার মানসিকতা রাখেন। আপনি কি কোন জটিল মানসিক গেম আপনার প্রিয়জনের সাথে খেলতে পারবেন? ভালো করে চিন্তা করে দেখুন। মধ্যবয়স্কা নারীরা কখনোই কোন গেম খেলতে যান না কারন তাঁরা ভালো করে জানেন তাঁদের কী প্রয়োজন। মানসিক এবং আর্থিক স্বাধীনতা একটি মানুষের জীবনের গুরুত্বপুর্ণ অর্জন।
৪. সততা: একজন মধ্যবয়স্ক নারী পুরুষকে বিশ্বাস এবং সততার স্তরগুলো ভালোভাবে শিখিয়ে নিতে পারেন। প্রেম, ভালোবাসা, বিয়ে যে কোনো ধরনের সম্পর্কেই শ্রদ্ধা একটি গুরুত্ত্বপূর্ণ ব্যাপার। মধ্যবয়স্ক নারী তার দৈনন্দিন জীবনে অত্যন্ত দক্ষতার পরিচয় দেন। তার মধ্যে সততা, বিশ্বাস এবং শ্রদ্ধাবোধ প্রবল থাকে। একজন মধ্যবয়স্ক নারী কখনোই একাধিক পুরুষের প্রতি কামনা রাখেন না। যে পুরুষটি অন্য একাধিক নারীদের সাথে ডেট করছে তার প্রতি এ নারীরা কখনোই আগ্রহ প্রকাশ করেন না।
৫. অভিজ্ঞতা: মধ্যবয়স্কা নারী জীবনে একাধিক সম্পর্কে জড়িয়েছেন তাই তার অভিজ্ঞতাও অনেক। জীবনের ছোটখাট সবধরনের সম্পর্কের অভিনয় তিনি নিখুঁতভাবে বিবেচনা করতে পারেন। এটা কিভাবে সমাধান করা যায় যায় সেটাও তিনি ভালো জানেন। মধ্যবয়স্ক নারী যথাসময়ে আবেগী হয়ে ওঠেন এবং পুরুষটির সাথে সত্যিকার গাঢ় সম্পর্ক স্থাপন করার চেষ্টা করেন। তিনি প্রিয় মানুষটির কাছে নিজেকে এমন ভাবে মেলে ধরেন যাতে সেই মানুষটি তাকে সহজভাবে পড়তে পারে। ফলে তিনি একজন ভালো মানুষ, একজন ভালো বন্ধু, এমনকি দীর্ঘ চলার পথে ভালো একজন সঙ্গী হতে পারেন।
৬. পারস্পরিক বোঝাপড়া: একে অপরের মধ্যে যদি বোঝাপড়া ভালো না হয় তাহলে সম্পর্কের শুরুতেই হোঁচট খেতে হয়। তীব্র আগ্রহ মুখ থুবড়ে পড়ে। সম্পর্কের মধ্যে বোঝাপড়াটা খুব গুরুত্বপূর্ণ একটি উপাদান। অর্থময় বোঝপড়া সম্পর্ককে আনন্দময় করে তোলে। আর এটা গড়ে ওঠে মধ্যবয়স্ক নারীর জীবনের অভিজ্ঞতা শেয়ারের মাধ্যমে। পারস্পরিক কথোপকথন জীবনের গল্পকে থামিয়ে দিবে না, বরং জীবনের গতিকে বাড়িয়ে দেবে। পরস্পরকে ভালো করে বুঝে ওঠার পথ তৈরি করে দেবে। যে পুরুষটি শুধু সেক্স এবং একটু মুগ্ধতার চোখে তাকানোর জন্য অপেক্ষা করতো সেই পুরুষটির মধ্যেও এই নারীর প্রতি শ্রদ্ধাবোধ জেগে ওঠে।
৭. যৌনতা: বিছানায় একজন মধ্যবয়স্ক নারী যথেষ্ট অভিজ্ঞ, সে তার চরম মুহূর্তের চাওয়া পুরুষটিকে বলতে দ্বিধা করে না। তৃপ্তিময় যৌনতায় তিনি সব ধরনের অনিরাপদ ভীতিকর ব্যাপারগুলোর উর্ধ্বে থাকেন। এই খোলামেলা সততাই
দুজনকে সুখের চরম পর্যায়ে নিয়ে যায়। আমরা যদি কাউকে ‘সেক্সুয়ালি স্যাটিসফাইড’ বলি সেটা অবিশ্বাস্যভাবে সেই ব্যক্তিকে আত্মবিশ্বাসী ও ভেতর থেকে সতেজ করে তোলে। মধ্যবয়স্ক নারীর এই ধরনের গুনাবলী একজন পুরুষকে সহজেই সন্তুষ্ট করে। অন্যান্য বড় কারণ ছাড়াও এই কারণে মধ্যবয়স্ক নারীর প্রতি পুরুষেরা বেশি আকৃষ্ট হয়। এ নারীরা বিছানায় অত্যাধিক প্লেফুল, রোমাঞ্চকর হন। পুরুষটির মাঝে নিজেকে উৎসর্গ করে দিতে পারেন।
সূত্র: ইন্টারনেট

Thursday, 24 October 2013

আপনি কি পাইলট হতে চান ?


ছোটবেলায় পাইলট হওয়ার স্বপ্ন অনেকেই দেখেছেন। কিন্তু সাধ আর সাধ্যের যোগ না হওয়ায় অধরাই থেকে গেছে স্বপ্ন। বাংলাদেশ ফ্লাইং একাডেমী ছাড়াও গ্যালাক্সি ও আরিরাং নিয়মিত পাইলট কোর্স করিয়ে থাকে। 

 যোগ্যতা যেমন চাই
মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক বা সমমানের পরীক্ষায় বিজ্ঞান বিভাগ থেকে পাস হতে হবে। উচ্চ মাধ্যমিকে পদার্থবিজ্ঞান ও গণিত বিষয় দুটি থাকতে হবে। পদার্থ ও গণিতে কমপক্ষে 'বিগ্রেড থাকতে হবে। এ ছাড়া ইংরেজি বলা ও লেখায় দক্ষ হতে হবে। যাঁরা স্নাতক শ্রেণীতে পড়ছেন বা পাস করেছেনতাঁরাও পাইলট কোর্সে ভর্তির আবেদন করতে পারবেন।

সবার আগে ভর্তি পরীক্ষা
পাইলট কোর্সে ভর্তি হতে সবার আগে ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে। এ পরীক্ষা হয় দুটি ধাপে_মৌখিক ও স্বাস্থ্য পরীক্ষা। মৌখিক পরীক্ষায় সাধারণত বিজ্ঞান ও সাধারণ জ্ঞানের ওপর প্রশ্ন করা হয়। এটি সংশ্লিষ্ট একাডেমী নিয়ে থাকে। আর স্বাস্থ্য পরীক্ষা হয় সিভিল এভিয়েশন অনুমোদিত ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলোতে।

লাগবে গ্রাউন্ড কোর্স
ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণরা পাইলট কোর্স করার যোগ্য বলে বিবেচিত হন। পাইলট হতে পেরোতে হয় তিনটি ধাপ। গ্রাউন্ড কোর্সের পর পেতে হয় এসপি বা স্টুডেন্ট পাইলট লাইসেন্স। এরপর পিপিএল (প্রাইভেট পাইলট লাইসেন্স)আর সবশেষে পেতে হয় সিপিএল বা কমার্শিয়াল পাইলট লাইসেন্স। তিন মাসের থিওরি কোর্সে বিমানের কারিগরি এবং এয়ার ল বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। এ ছাড়া এয়ারক্রাফট জেনারেল নলেজফ্লাইট পারফরম্যান্স অ্যান্ড প্ল্যানিংহিউম্যান পারফরম্যান্স অ্যান্ড লিমিটেশননেভিগেশন,অপারেশনাল প্রসিডিউর এবং প্রিন্সিপল অব ফ্লাইটের মতো বিষয়গুলো সম্পর্কে ধারণা দেওয়া হয়।

সময় এবার উড়াল দেওয়ার
গ্রাউন্ড কোর্সের পর সংশ্লিষ্ট একাডেমী লিখিত পরীক্ষা নেয়। পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের সরাসরি বিমান চালনার জন্য সিভিল এভিয়েশনে এসপিএল বা স্টুডেন্ট পাইলট লাইসেন্সের আবেদন করতে হয়। আবেদনের পর সিভিল এভিয়েশন অথরিটি (সিএএবি) পরীক্ষা নেয়। সিএএবির পরীক্ষা এবং সিএমবির (সার্টিফায়েড বাই দ্য মেডিক্যাল বোর্ড) স্বাস্থ্য পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলেই কেবল এসপিএল দেওয়া হয়। এ লাইসেন্স দিয়ে ৪০ থেকে ৫০ ঘণ্টা বিমান চালনার সার্টিফিকেট অর্জন করে পিপিএল বা প্রাইভেট পাইলট লাইসেন্সের আবেদন করতে হয়। এ সময় তিন মাসের থিওরি ক্লাসের সঙ্গে একটি ক্রস কান্ট্রি ফ্লাইট (এক জেলা থেকে অন্য জেলায় যাওয়া-আসা) চালানোর অভিজ্ঞতাও অর্জন করতে হয়। এরপর আবারও লিখিত এবং স্বাস্থ্য পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলেই মেলে প্রাইভেট পাইলট লাইসেন্স। এ লাইসেন্স দিয়ে কোনো বাণিজ্যিক বিমান চালানো যায় না। তাই পাইলট হিসেবে চাকরির জন্য প্রয়োজন সিপিএল বা কমার্শিয়াল পাইলট লাইসেন্স। এ লাইসেন্স পেতে ১৫০ থেকে ২০০ ঘণ্টা বিমান চালানোর অভিজ্ঞতা থাকতে হয়। এ ছাড়া উত্তীর্ণ হতে হয় লিখিত ও স্বাস্থ্য পরীক্ষায়। পাশাপাশি থাকতে হয় একটি ক্রস কান্ট্রি ফ্লাইট চালানোর অভিজ্ঞতা ও তিন মাসের থিওরি কোর্সের সার্টিফিকেট। সিপিএল পাওয়া মানেই নিশ্চিত চাকরি।




কাজের ক্ষেত্র
বর্তমানে দেশে ও বিদেশে দক্ষ পাইলটের বেশ চাহিদা রয়েছে। আন্তর্জাতিক বিমান পরিবহন সংস্থার (দি ইন্টারন্যাশনাল এয়ার ট্রান্সপোর্ট অ্যাসোসিয়েশন) এক রিপোর্টে জানা যায়বিমান সংস্থাগুলোর নতুন নতুন রুট চালু এবং পুরনো পাইলটদের অবসরে যাওয়ার ফলে প্রতিবছর ১৭ হাজার নতুন পাইলট প্রয়োজন হচ্ছে। এ থেকেই বোঝা যাচ্ছেআন্তর্জাতিক পরিসরে দক্ষ পাইলটের প্রয়োজন কতটুকু। এটি এমন এক পেশাযেখানে চাকরিই প্রার্থী খোঁজে।

কোর্সের সময় ও খরচ
বৈমানিক কোর্স করতে দেড় থেকে সর্বোচ্চ তিন বছর লাগে। পিপিএল কোর্স করতে লাগে ছয় মাস। আর সিপিএল কোর্সে সময় লাগে এক বছর। বছরে জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারি ও জুলাই-আগস্ট দুটি সেশনে বৈমানিক কোর্সে ভর্তি হওয়া যায়।
প্রতিষ্ঠানভেদে বৈমানিক কোর্সের খরচের কিছুটা তারতম্য হয়। সাধারণত পিপিএল ও সিপিএল কোর্স দুটি শেষ করতে ২০ থেকে ৩০ লাখ টাকা প্রয়োজন। কোর্স ফির বেশির ভাগই খরচ হয় ব্যবহারিক অর্থাৎ ফ্লাইং করতে। সাধারণত প্রতি ঘণ্টা ফ্লাইংয়ের জন্য খরচ পড়ে ১৪ থেকে ১৫ হাজার টাকা।

কেমন আয়
যাত্রী পরিবহনের পাশাপাশি দিন দিন বিমানের সংখ্যা বাড়ছে। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসসহ বেসরকারি অনেক বিমান সংস্থায় বৈমানিকদের চাহিদা রয়েছে। এসব এয়ারলাইনসে বৈমানিকদের আকর্ষণীয় বেতনে নিয়োগ দেওয়া হয়। বৈমানিকদের পারিশ্রমিক নির্ধারণ করা হয় ঘণ্টা হিসাবে। একজন সিপিএল লাইসেন্সধারী বৈমানিকের মাসিক আয় প্রায় দুই লাখ টাকা। বিদেশি এয়ারলাইনসে এর পরিমাণ আরো বেড়ে যায়।

প্রশিক্ষণ নেবেন কোথায়
বাংলাদেশ ফ্লাইং একাডেমী অ্যান্ড জেনারেল এভিয়েশন লিমিটেড
বছরে দুটি সেশনে ভর্তি হওয়া যায়। কোর্সের মেয়াদ তিন বছর। কোর্স ফি ২০ লাখ টাকা। ঠিকানা : বাংলাদেশ ফ্লাইং একাডেমী অ্যান্ড জেনারেল এভিয়েশনহযরত শাহজালাল ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট (ভিভিআইপি টার্মিনালের ডানপাশে)উত্তরাঢাকা।

গ্যালাক্সি ফ্লাইং একাডেমী
বছরে তিনটি সেশনে ভর্তি হওয়া যায়। কোর্সের মেয়াদ ১৮ মাস। কোর্স ফি ২৮ লাখ টাকা। ঠিকানা : বাড়ি-২০লেক ড্রাইভ রোড,সেক্টর-৭উত্তরাঢাকা।

আরিরাং এভিয়েশন
বছরে তিনটি সেশনে ভর্তি হওয়া যায়। কোর্সের মেয়াদ ১৮ মাস। কোর্স ফি ৩০ লাখ টাকা। ঠিকানা : বাড়ি ৪২লেক ড্রাইভ রোড,সেক্টর ৭উত্তরা,ু ঢাকা।

Saturday, 28 September 2013

উদ্যোক্তাদের জন্যে গুরুত্বপূর্ণ তথ্যভান্ডার

ট্রেড লাইসেন্স এর জন্যেঃ

সাইট ১:


কোম্পানি রেজিষ্ট্রেশন এর জন্যেঃ

সাইট ১:



নেম ক্লিয়ারেন্স যাচাই এর জন্যেঃ



VAT, TAX & Customs সংক্রান্ত তথ্য ও সহযোগিতার জন্যেঃ

সাইট ১:

সাইট ২:

সাইট ৩:


Export-Import বিষয়ক তথ্য সহায়তা ও লাইসেন্স এর জন্যেঃ

সাইট ১:

সাইট ২:

সাইট ৩:

সাইট ৪:


চেম্বার অব কমার্স বিষয়ক তথ্যঃ

সাইট ১:

সাইট ২:

সাইট ৩:


বীমা সংক্রান্ত তথ্য সহায়তার জন্যেঃ

সাইট ১:

সাইট ২:

সাইট ৩:


কপিরাইট সংক্রান্ত সহায়তার জন্যেঃ

সাইট ১:


ডিজাইন, পেটেন্ট ও ট্রেড মার্ক সংক্রান্ত সহায়তার জন্যেঃ

সাইট ১:


ফায়ার লাইসেন্স এর জন্যেঃ

সাইট ১:


রিবেশ অধিদপ্তর এর লাইসেন্স এর জন্যেঃ

সাইট ১:


বিএসটিআই রেজিষ্ট্রেশন ও লাইসেন্স এর জন্যেঃ

সাইট ১:


হালাল ও অর্গানিক সার্টিফিকেট এর জন্যেঃ

সাইট ১:

সাইট ২:

সাইট ৩:



Friday, 13 September 2013

আপনি জানেন কি ?

<> ক্যাঙ্গারু কখনো পেছনে হাটতে পারেনা!

<> মশা অন্য যেকোনো রংয়ের চেয়ে নীল রংয়ের প্রতি বেশি আকৃষ্ট হয়!

<> ৭৫ বছর বয়স্ক একজন মানুষ তার জীবনে ২৩ বছর ঘুমিয়ে কাটান!

<> যুক্তরাজ্যে প্রতিদিন ৭৫ একর পিৎজা খাওয়া হয়!

<> অক্টোপাসের হৃৎপিন্ড থাকে ৩টি!

<> অতিরিক্ত গাজর খেলে ত্বকে কমলা আভা দেখা যায়!


<> একটি নীল তিমির জিহবার ওজন একটি হাতির ওজনের চেয়েও বেশি!

<> বাঁশ ২৪ ঘন্টায় ৩ ফুট বৃদ্ধি পায়!

সুত্র : ওয়েবসাইট

জেনে নিন বাংলাদেশ সম্বন্ধে কিছু তথ্য।

***বাংলাদেশ বিশ্বের ৭৬তম ধনী রাষ্ট্র।

***অন্যতম শক্তিশালি ১০টি মুসলিম দেশের একটি।

***এখানে রয়েছে বিশ্বের সবচেয়ে বড় সমুদ্র সৈকত(কক্সবাজার)­

***বিশ্বের সবচেয়ে বড় লোনা পানির বনাঞ্চল(সুন্দরবন) এখানে।

*** বিশ্বের ১১তম দীর্ঘ সেতু(যমুনা সেতু) এদেশেই।

***জাতিসংঘ শান্তি রক্ষা মিশনে সবচেয়ে বেশী সৈন্য প্রেরনকারী দেশ।

***রপ্তানিকারক দেশ হিসাবে বিশ্বে ২৭তম, গার্মেন্টস শিল্পে প্রথম। 

প্রাকৃতিক সম্পদে ভরপুর এ দেশটি ২০৫০ সালে বিশ্বের অন্যতম ১০টি ক্ষমতাধর দেশের একটিতে পরিণত হতে যাচ্ছে বলে মনে করা হচ্ছে ।
সুত্র : ওয়েবসাইট

জেনে রাখুন কিছু অজানা তথ্য

১. চুমু খাওয়া স্বাস্থ্যকর!
২. ছেলেরা যদি কোন মেয়েকে অপমান করে, এর অর্থ সে তাকেপছন্দ করে ।
৩. 89% মেয়েই ছেলেদের কাছ থেকে প্রথমে প্রপোজ আশা করে ।
৪. একটা মেয়েকে পেছন থেকে যখন তার বয়ফ্রেন্ড কোমড় জড়িয়ে ধরে,এটা সে সবচেয়ে বেশী পছন্দ করে
৫. স্ত্রীরা সেই মুহূর্তটা ভালবাসে যখন তাদের স্বামীরা তাদেরকে টাই বেঁধে দিতে কিংবা কোটটা পড়িয়ে দিতে বলে
৬. ছেলেরা তাদের পছন্দের মেয়েকে রাগিয়ে লাল টুকটুকে চেহারাখানা দেখতে ভালোবাসে !
৭. সত্যিকারের বন্ধুরা কখনোই আপনার বন্ধুত্বের পরীক্ষা নিবে না
৮. পৃথিবীতে কেউ না কেউ অবশ্যই আছে যার চোখের জলকে আপনি নিজের জীবনের চাইতেও বেশী মূল্য দেন
৯. যদি আপনি অন্তর থেকে কাউকে চান, জেনে রাখুন সেই মানুষটাও আপনাকে ভেবেই ঘুমুতে যায়

সুত্র : ওয়েবসাইট 

৪ টি কৌশল জেনে আপনিও পারেন আপনার স্ত্রীর মন জয় করতে


স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্কে মতপার্থক্যের কারণে কথা-কাটাকাটি, মনোমালিন্য বা অভিমান হওয়াটা সাধারণ ব্যাপার। সারা জীবন একজন মানুষের সঙ্গে কাটাতে গেলে, একটু-আধটু ছাড় দিতেই হয়। তা না হলে অকারণে তার মন খারাপের পর্যায়ে চলে যায়। সম্পর্কে তিক্ততা চলে আসে। অনেক সময় স্বামী বা স্ত্রী নিজের ইগো তথা আত্মমর্যাদাবোধকে বেশি প্রাধান্য দিতে গিয়ে নিজেদের অবস্থানে অনড় থাকেন।নিজের ভুল স্বীকার করে নিয়ে মিষ্টি করে একটা ‘সরি’ বলাটাও হয়ে ওঠে না। তাছাড়া একজন যখন একটু উত্তেজিত অবস্থায় থাকেন, তখন আরেকজনের উচিত শান্ত হয়ে পরিস্থিতি সামাল দেয়া। আর স্ত্রীদের হয়তো কথাটা একটু বেশিই শুনতে হয়। তাই পুরুষদের ওপর দায়িত্বটা একটু বেশিই বর্তায় বৈকি। সরাসরিই যে মুখে সবসময় সরি বা দুঃখিত বলতে হবে, তেমন বাধ্যবাধকতা তো নেই। স্ত্রীকে সরি বলার অনেক পদ্ধতি আছে। সে রকম কিছু টিপস এখানে তুলে ধরা হলো:


১. শুধু ফুল নয়: সরি বলার জন্য স্ত্রীকে শুধু ফুল গিফট দেয়াটা মনে হয় সবচেয়ে ভাল সমাধান নয়। তাই ফুল গিফট করার সঙ্গে সঙ্গে তাকে সরিটাও বলুন। ভুলটা যদি আপনার হয়, আপনার এগিয়ে যাওয়াটাই উচিত। আর সরি মুখে না বলে স্মাইলি বা স্মিত হাসির ছবি এঁকে তার সঙ্গে একটি সরি নোট লিখে দিতে পারেন। চা বা কফি পানের যে মগটি স্ত্রী ব্যবহার করেন, তার ওপর সুন্দর করে তা সেঁটে দিতে পারেন। এভাবে নানা উপায়ে তার মন জয়ের চেষ্টা করতে পারেন।


২. স্ত্রীর জন্য রান্না করুন:
 নারীর হৃদয় গলাতে তাকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিন। রান্নার সময় নিজেও হাত লাগান। স্ত্রীর পছন্দের রান্নাটি করে তার সামনে সুন্দর করে পরিবেশন করুন। একটি সরি নোটও সঙ্গে লিখে দিন। এরপর নিশ্চয়ই আপনার স্ত্রী মনের মধ্যে আর রাগ বা ক্ষোভ পুষে রাখবেন না।


৩. স্ত্রীকে বাইরে বেড়াতে নিয়ে যান: কোন কারণে কথা-কাটাকাটি হয়ে থাকলে স্ত্রীকে নিয়ে সুন্দর কোন জায়গায় বেড়িয়ে আসুন। এতে দু’ জনেরই মন ভাল হবে। স্বতঃস্ফূর্ততা ফিরে আসবে। কোন ভাল রেস্টুরেন্টেও যেতে পারেন। নাস্তা কিংবা রাতের ডিনারটা সেখানেই সারলেন। সময় বুঝে স্ত্রীকে সারপ্রাইজ দিন ও সরি বলুন।


৪. রোমান্টিক হয়ে উঠুন:
 যে কোন নারীই চান, তার স্বামী বেশ রোমান্টিক স্বভাবের হবেন। প্যাঁচার মতো গোমড়ামুখ কারোরই পছন্দ নয়। নারীদের কাছে নিজেদের প্রকাশে পুরুষরা বরাবরই একটু পিছিয়ে। তাই মন খুলে নিজেদের প্রকাশ করুন। রোমান্টিকতা এক মুহূর্তেই স্ত্রীর অভিমানকে দূরে সরিয়ে দিতে পারে। স্ত্রীর সৌন্দর্যের অকপট প্রশংসা করুন। আপনার জীবনে তার প্রয়োজন কতটা, তা তাকে বুঝতে দিন। দেখবেন আপনাদের দাম্পত্য জীবন হয়ে উঠবে আরও বেশি আকর্ষণীয় ও সুখময়। সুত্র: tazakhobor.com

Thursday, 12 September 2013

নারীরা পুরুষের ১০টি বিষয়ে আকৃষ্ট হয়

কথায় আছে, নারীর মন স্বয়ং বিধাতাও বোঝে না! সেখানে পুরুষেরা বুঝে উঠবেন নারীর মন, সে একটু কঠিন বৈকি! কি করলে নারীর মন পাওয়া যাবে এটা নিয়ে যুগে যুগে অনেক গবেষণা ও তর্ক বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। কারণ আর কিছুই না, পছন্দের নারীর ভালোবাসা অর্জন। নারীরা সাধাণরত আত্মনির্ভরশীল, ব্যক্তিত্ববান এবং রোমান্টিক পুরুষদের ভালোবাসেন। আসুন তাহলে জেনে নেয়া যাক পুরুষের মধ্যে কি কি বৈশিষ্ট্য থাকলে নারীর মন জয় করে নেয়া যায়।

১. রসবোধ ও বুদ্ধিমত্তা:মেয়েরা সাধারণত একটু রসিক ছেলেদের ভালোবাসে। যে কোনো বিষয় নিয়ে উপস্থিত ভাবে রসালাপ করতে পারে এমন ছেলেদের প্রতি মেয়েরা বেশি আকৃষ্ট হয়। বুদ্ধিমান ছেলেরা নারীদেরকে বেশি আকর্ষণ করতে সক্ষম হয়।

২. আত্মবিশ্বাসী:আত্মবিশ্বাসী ছেলেরা মেয়েদের আকর্ষণের কেন্দ্রে থাকে সব সময়। দ্বিধাগ্রস্থ ছেলেদের প্রতি মেয়েরা আকৃষ্ট হয় না। একজন পুরুষ যত সুন্দর বা রূপবানই হোক না কেন সে যদি আত্মবিশ্বাসী না হয় তাহলে তার প্রতি কোনো মেয়ে নির্ভর করতে পারবে না।

৩. উচ্চতা ও দৈহিক গড়ন:বিভিন্ন জরিপে সর্বদাই দেখা গিয়েছে যে নারীদের পছন্দ অধিক উচ্চতার পুরুষ। চেহারার সৌন্দর্যের চাইতে মেয়েরা অনেক বেশি গুরুত্ব দিয়ে থাকে পুরুষের উচ্চতা ও বলিষ্ঠ গড়নকে।

৪. আত্মনির্ভরশীল:নারীদের পছন্দের তালিকায় আত্মনির্ভরশীল পুরুষরা সব সময়েই অগ্রাধিকার পায়। নিজের উপার্জনে চলে এমন পুরুষই নারীর পছন্দ। বাবার উপার্জনে দিনযাপন করা ছেলেদের খুব একটা পছন্দ করেনা নারীরা। সম্মানিত পদবীতে চাকরী করে এবং স্বচ্ছল পুরুষদেরকে নারীরা তাদের পছন্দের তালিকায় রেখে থাকে।

৫. যত্নশীল:নারীরা যত্নশীল ছেলেদের ভালোবাসে। তারা নির্ভর করার মত পুরুষদের পছন্দ করে যারা তাদের কাজে কর্মে সহায়তা করবে এবং যত্ন নিবে। যে সব পুরুষরা প্রতি বেলায় নিয়মিত খোজ খবর রাখে তাদেরও পছন্দ করেন নারীরা।

৬. সুন্দর চুল:নারীরা সচ্ছল পুরুষদের পছন্দ করে, এটা সত্য। তবে নারীদের পছন্দের তালিকায় প্রথমেই থাকে মাথা ভরা চুলের অধিকারী পুরুষেরা। এমনকি ধনী পুরুষদের চাইতেও নারীরা মাথায় সুন্দর চুলের অধিকারী পুরুষদের প্রতি বেশি আকর্ষণ বোধ করে থাকে।

৭. স্বচ্ছতা:নারীরা পুরুষের কাছে সততা ও স্বচ্ছতা আশা করে। দীর্ঘমেয়াদী সর্ম্পকে জড়াতে চাইলে নারীর কাছে মিথ্যা বলা উচিত না। সত্য কথা বলতে দ্বিধা বোধ করলেও বলে ফেলুন। এতে নারীদের আস্থা অর্জন করতে পারবেন।

৮. পুরুষালী আচরণ:নিজের সঙ্গীর কাছ থেকে নারী খোঁজে নির্ভরতা ও নিরাপত্তা। যে পুরুষ তাকে নিরাপত্তা দিতে পারে, নারীর চোখে তারাই পুরুষালী আচরণের অধিকারী। আর এই ধরনের পুরুষদের জন্য নারীর আকর্ষণ সর্বাধিক।

৯. পরিচ্ছন্ন সুন্দর পোশাক:নারীরা স্মার্ট ও পরিচ্ছন্ন পোশাকের পুরুষ পছন্দ করে। নিজের ত্বকের রঙ এবং শারীরিক গঠনের সাথে মানানসই পোশাক পরিহিত পুরুষরা নারীদের আকর্ষণের কেন্দ্রে থাকে।

১০. সুগন্ধী:শরীরে দুর্গন্ধ থাকলে না্রীদের মন পাওয়া যা‌য়না। সুগন্ধির মাধ্যমে ব্যক্তিত্ব ও রুচিবোধ প্রকাশ পায়। তাই ভালোমানের রুচিশীল সুগন্ধী ব্যবহার করুন।

নারী ও পুরুষের একে অপরের দুর্বলতা প্রকৃতির একটি স্বাভাবিক নিয়ম। নারীরা পুরুষের কাছ থেকে নিখাদ ভালোবাসা এবং সম্মান আশা করে। তাই নারীর চোখে আকর্ষণীয় ও ব্যক্তিত্ববান পুরুষ হতে চাইলে নারীর প্রতি সম্মান দেখান এবং সততা বজায় রাখুন। সুত্র: ওয়েবসাইট

ভিসা ছাড়াই বিদেশ ভ্রমন

অনেকের মধ্যেই স্বপ্ন থাকে বিদেশ ভ্রমন করার তাদের মধ্যে অনেকে ভিসার জটিলতার করনে নিজের স্বপ্ন পূরণ করতে পারেন না ভিসা জটিলতা ছাড়াই আপনি বেরিয়ে আসতে পারেন অনেক দেশেই শুধু চাই অর্থ আর ইচ্ছা


ভিসা ছাড়া যাওয়া যাবে এবং অবস্থান করা যাবে এমন দেশগুলো হচ্ছে এশিয়া মাহাদেশের মধ্যে ভুটান (যত দিন ইচ্ছা), শ্রীলংকা (৩০ দিন), দ: কোরিয়া (৯০ দিন), আফ্রিকা মহাদেশের মধ্যে কেনিয়া (৩ মাস), মালাউই (৯০ দিন), সেশেল (১ মাস), আমেরিকা মাহাদেশের মধ্যে ডোমিনিকা (২১ দিন), হাইতি (৩ মাস), গ্রানাডা (৩ মাস), সেন্ট কিট্‌স এ্যান্ড নেভিস (৩ মাস), সেন্ড ভিনসেন্ট ও গ্রানাডাউন দ্বীপপুঞ্জ (১ মাস), টার্কস ও কেইকোস দ্বীপপুঞ্জ (৩০ দিন), মন্টসের্রাট (৩ মাস), ব্রিটিশ ভার্জিন দ্বীপমালা (৩০ দিন), ওশেনিয়া মাহাদেশের মধ্যে ফিজি (৬ মাস), কুক দ্বীপপুঞ্জ (৩১ দিন), নাউরু (৩০ দিন), পালাউ (৩০ দিন), সামোয়া (৬০ দিন), টুভালু (১ মাস), নুউ (৩০ দিন), ভানুয়াটু (৩০ দিন) এবং মাক্রোনেশিয়া তিলপারাষ্ট্র (৩০ দিন) অন্যতম।

এছাড়াও যেসব দেশে প্রবেশের সময় (on arrival) ভিসা পাওয়া যাবে সেগুলো হচ্ছে এশিয়ার মধ্যে আজারবাইজান (৩০ দিন, ফি ১০০ ডলার), জর্জিয়া (৩ মাস), লাউস (৩০ দিন, ফি ৩০ ডলার), মালদ্বীপ(৩০ দিন), মাকাউ (৩০ দিন), নেপাল (৬০ দিন, ফি ৩০ ডলার), সিরিয়া (১৫ দিন), পূর্ব তিমুর (৩০ দিন, ফি ৩০ ডলার), আফ্রিকা মহাদেশের মধ্যে বুরুন্ডি, কেপ ভার্দ, কোমোরোস, জিবুতি (১ মাস, ফি ৫০০ জিবুতিয়ান ফ্রাঙ্ক), মাদাগাস্কার (৯০ দিন, ফ্রি ১,৪০,০০০ এমজিএ), মোজাম্বিক (৩০ দিন, ফি ২৫ ডলার), টোগো (৭ দিন, ফি ৩৫,০০০ এক্সডিএফ) এবং উগান্ডা (৩ মাস, ফি ৩০ ডলার)। 
ফ্লাইট, টিকিট, হোটেল ইত্যাদি সম্পর্কে বিভিন্ন তথ্য পাওয়া যাবে http://travel.yahoo.com 
এসব ওয়েবসাইট থেকে। 
তবে বাংলাদেশের এয়ারপোর্ট রওনা হবার সময় কিছু সুযোগ সন্ধানী অফিসার ভিসা নেই বা আপনার সমস্যা হবে এই মর্মে হয়রানি করতে পারে টু-পাই কামানোর জন্য। কেউ এসব দেশে বেড়াতে যেতে চাইলে টিকিট কেনার সময় আরো তথ্য জেনে নিতে পারেন।

সুত্র: ওয়েবসাইট