Showing posts with label অর্থনীতি. Show all posts
Showing posts with label অর্থনীতি. Show all posts

Tuesday, 22 October 2013

টি-শার্ট ব্যবসা - কিভাবে শুরু করবেন আর কি কি করতে হবে?


৩ ভাবে শুরু করতে পারেন এই ব্যবসা। ভয় পাবেন না।


১. স্টক এর বানানো টিশার্ট কিনে তাতে প্রিন্ট করিয়েঃ 
এ ক্ষেত্রে যা করা হয় তা হলসলিড বা এক রঙের টিশার্ট কিনে নেয়া হয় কম দামে। অল্প টাকায় অনেক পাওয়া যায়। তারপর একটা প্রিন্টিং কারখানায় নিয়ে গিয়ে তাতে প্রিন্ট বশিয়ে আয়রন আর প্যাকিং করে নিলেই তৈরী।
এক্ষেত্রে সুবিধাঃ
সহজে প্রাপ্যতা
কম সময়ে পণ্য তৈরী
দাম কম হওয়াতে অনেক টিশার্ট কেনা যায়
এক্ষেত্রে অসুবিধাঃ 
কাপড় মান সম্পন্ন হয় না
অনেক ক্ষেত্রে অতিরিক্ত সেলাই খরচ পোষাতে হয়।
ধোয়ার পর কাপড়ের রঙ উঠে
কাপড় হতে ভুশকী ঊঠে
রঙ জ্বলে যায়
সাইজ ট্যাগ ভুল থাকে
এই ক্ষেত্রে আমার মতামতঃ এই কাজ থেকে দূরে থাকুন। এই মানের পণ্য নিয়ে ব্রান্ডিং করা সম্ভব না। কাস্টমার ফিরে ও তাকাবে না ২য় বার।
২. টিশার্ট নিজে বানিয়ে তারপর প্রিন্ট করেঃ 
এক্ষেত্রে যা যা করতে হয় তা নিচে সঙ্কখেপে বরণনা দেয়া হলোঃ

*
একটা সুষ্ঠ পরিকল্পনাঃ প্রথমে দরকার একটি সুষ্ঠ পরিকল্পনা। এ সময় পারটনার থাকলে কাজ ভাগ করে নিন। কারন সামনে অনেকটা পথ যেতে হবে। একা পেরে নাও উঠতে পারেন। তো পরিকল্পনা যেনো সুদূরপ্রসারী হয়। অনেক হোচট খেতে হতে পারে। 

টার্গেট ফিক্স করে নেয়াঃ কাদের কাছে বিক্রি করবেন তার একটা টার্গেট লিস্ট বানান কাজে দিবে। কারন সবাই সব ডিজাইন পড়বে না। আর কত পিস বানাবেন সেটা ও ধারনা করে নিন। 

ভালো কিছু ডিজাইন বানানোঃ আকর্ষণীয় ডিজাইন নিয়ে কাজ করুন। মানুষ কিন্তু টিশার্ট একটা কারনেই কিনে থাকে আর তা হল ডিজাইন। ডিজাইন এর ব্যাপারে আমি আমার একটা নিয়ম ধরে হাটিসেটি হল,
SICK =
S for Stylish,
I for Innovative,
C for Creative & Confident and
K for Knowledge.

ডায়িং ফ্যাক্টরী জোগাড় করাঃ এটা করা খুব জরূরী প্রথমে বেশি খরচ করে হলেও একটা ডায়িং ফ্যাক্টরী কে হাত করতে হবে। আবার উনাদের গিয়ে বইলেন না যে এটা আমি বলে দিসি। না পেলে আমি আছি।

গারমেন্টস ফ্যাক্টরী জোগাড় করাঃ সবচেয়ে কঠিন কাজ এটা। ছোটো কাজ গুলো গারমেন্টস ফ্যাক্টরী গুলা নিতে চায় না নিতে চাইলেও এমন ডিমান্ড করে যা পোষানো সম্ভব না! খুজে দেখুন হয়তো পেয়ে যাবেন। না পেলে এই অধম তো আছেই। ভ্রু কুচকাইয়েন নাহ।

ডিজাইন প্রিন্টিং এর ফ্যাক্টরী জোগাড় করাঃ এটা একটু কঠিন হয়ে যায়। কিন্তু এখন এতা খুবি সহজ। প্রথমবার যেমন করেই হোক রাজী হয়ে যান একটা পেলে। পরের বার না হয় বোঝাপরা করে নিলেন :)। এদের ডিজাইন গুলো দিয়ে দিন। এরা ডাইজ বানায় রাখবে কাজ এগিয়ে যাবে কিছু এডভান্স দিয়ে দিয়েন। আবারো ভ্রু কুচকালেনভাই আমি তো আছি এ নাকি? 

কাপড় কেনাঃ কি মানের কাপড় কিনবেন তা সম্পর্কে পূর্বে ধারনা থাকাটা বাঞ্ছনীয়। কাপড় সাধারনত কাপড় এর ঘনত্ব এর উপর ডিপেন্ড করে। কাপড় ও সেলাই ভালো দিতে হবে তাহলে ভালো রেসপন্স পাবেন। কাপড়ের মান যাচাই করে নিন আগে। কাপড়ের জিএসএম কত তা জেনে নিন। ১৬০ এর উপরের জিএসএম এর কাপড় আমার চোখে অনেক ভাল। তবুও আমি ১৮০ কেই প্রাধান্য দেই। শীতের পোষাক এর জন্য ২০০+ জি এস এম নিতে হবে। ভুলেও ইন্ট্যাক্ট কাপড় কিনবেন না যা আগে থেকেই রঙ করা থাকে। কাপড় নারায়ঙ্গঞ্জ এ কিনতে পাওয়া যায়। ২নং রেইল গেট এ ডান দিকে হাটতে থাকলে পাগল হয়ে যাবেন কাপড়েদ দোকান দেখতে দেখতে চাষাড়া এর। কিন্তু ভালো মানের গ্রে কাপড় টা কিনতে দেয়া ভালো হবে আপনার গার্মেন্টস কেই। কারন ওদের জি এস এম মেনশন করে দিলে ওরা ভালো কাপড় এনে দিবে। অনেক ক্ষেত্রে ওরা কমে ও এনে দিতে পারে। আর আপনি কিনতে গেলে আপনার গলা কাটবে এটা স্বাভাবিক। কারন আপনি নতুন। খারাপ দিয়ে দিলে কিছু করার নাই! তাই যার কাছ থেকেই কাপড় কিনবেন একটু ভাল সম্পর্ক হলে ভালো হবে। ক্ষতি হবে না। কারন কাপড়ের উপরের পার্শ্ব টাই আসল না! ভেতর টাই আসল। ছেড়া থাকতে পারেগোলাকৃতির চাক্তির মত কাটা থাকতে পারে। ফাটা থাকতে পারে। আর গ্রে কাপড় টা যত টা পারবেন মাটিতে না রাখার চেষ্টা করবেন।

ডায়িং করানোঃ ডায়িং টা সবচেয়ে বেশি ঝামেলাকর। খুব সাব্ধানে করতে হবে। তাদের স্যাম্পল কালার দিয়ে আসবেন যাতে কালার এ হেরফের না হয়। একটু এদিক সেদিক হলেই কালার পালটে আরেকটা হয়ে যাবে। আর একবার রঙ হয়ে গেলে ঝামেলা। ডায়িং ফ্যাক্টরীতে কোন রঙের কত কেজি কাপড় হবে আর রঙ এর স্যাম্পল দিয়ে আসলেই ওরা করে দিবে যদি অদের আপনার কালার ক্যাপচারিং আইডিয়া থাকে। তবে আমি বল্বো বলে দিয়ে আসা টাই ভালো।

ডায়িং থেকে গারমেন্টস ফ্যাক্টরী তে কাপড় স্থানান্তরঃ ডায়িং ফ্যাক্টরী থেকে কাপড় ডায়িং শেষ হবার পর তা গারমেন্টস ফ্যাক্টরীতে পাঠাতে হবে।

কি কি সাইজ এর টিশার্ট বানাবেন তার ধারনাঃ গারমেন্টস ফ্যাক্টরীতে আপনার টিশার্ট এর মেজারমেন্ট চার্ট আর রেশিও দিয়ে আসতে হবে। সাইজ হিসেবে করতে পারেন S, M, L, XL । মেজারমেন্ট এ থাকবে টিশার্ট এর মাপ কোন সাইজ কি মাপের হবে আর কি তাইআর রেশিও তে থাকবে প্রতি ১২ পিস এ আপনি কত পিস S, M, L, XL সাইজের টিশার্ট করতে চাইছেন যেমন 2:4:4:2 = 12

কাপড় কাটানোঃ গারমেন্টস ফ্যাক্টরী থেকে আপনাকে আপনার মেজারমেন্ট অনুযায়ী কাপড় কেটে দেয়ার পর তা নিয়ে আসবেন কারন তা আপনার প্রিন্টিং ফ্যাক্টরী কে দিতে হবে প্রিন্ট করতে। 

প্রিন্টিং এ পাঠানোঃ এবার প্রিন্টিং ফ্যাক্টরী তে কোন ডিজাইন এর কতগুলো টিশার্ট হবে তা তাদের বুঝায় দিয়ে আসতে হবে। 

প্রিন্ট করানোঃ এবার প্রিন্টিং ফ্যাক্টরী তে কোন ডিজাইন গুলো প্রিন্ট করানোর সময় তাদের দিয়ে পারলে দাঁড়ায় থেকে প্রিন্ট করিয়ে নিবেন তারা যেদিন আপনাকে সময় দিবে। প্রতিটা চেক করে নিবেন আর দেখে নিবেন যাতে অবাঞ্ছিত কোনো দাগ না পরে।

প্রিন্ট থেকে এনে সেলাই এর জন্য তৈরী করাঃ প্রিন্ট করা শেষ হবার পর ভালোভাবে শুকানোর পর তা গারমেন্টস এ পৌঁছে দিন আবার। দেখেবেন যাতে কোনো টা কোনো টার সাথে না লেগে থাকে।

সেলাই করানোঃ এবার গারমেন্টস ফ্যাক্টরী কে দিয়ে নিখুত ভাবে সেলাই করিয়ে নিন। তাদের বলে দিন যে আপনার সেলাই এর ধরন কেমন হবেআপনার ব্র্যান্ড লেবেল আর সাইজ লেবেল আপনি ই প্রোভাইড করুন। এটাই বেশি ভালো।

কাপড় আয়রন করানোঃ ভালোভাবে আয়রন করে নিন যাতে অতিরিক্ত কোনো ভাজ না পড়ে। এ ক্ষেত্রে খেয়াল রাখবেন যাতে ৫-১০ টা এক সাথে আয়রন না করে।

পলি প্যাক করানোঃ ভালো মানের পলি প্যাক এ প্যাকিং করুন। আকরষনীয় মোড়ক ও অনেক ক্ষেত্রে পণ্য বিক্রি তে সাহায্য করে। স্ট্যান্ডার্ড সাইজ এর পলি প্যাক ব্যবহার করুন। সিটি প্লাজা মারকেট এর নিছতলা তেই আকজন হুজুর বিক্রি করে অগুলা ভালোই যেগুলা স্টিকার লাগানো থাকে।

কারটন করানোঃ ভালো এবং পোক্ত মানের কারটন এ পলি করা টিশার্ট গুলো রাখতে হবে। আমার পরিচিত একজন আছে যিনি কারটন এ ব্র্যান্ডিং করে দিতে পারবে আর কারটন বানায় দিতে পারবে।

পরিবহনঃ সহজে ঊথানো নামানো যায় এমন ব্যবস্থা গ্রহন করুন। ঢাকার বাইরে পাঠাতে কুরিয়ার সারভিস ব্যবহার করুন। তবে খরচ যত কমাতে পারেন ততি মঙ্গল।

বিক্রয় শুরুঃ এবার দেদারসে টারগেটেড মানুষদের কাছে বিক্রি শুরু করুন।
এক্ষেত্রে সুবিধাঃ
কাপড় মান সম্পন্ন হয়
গ্রাহক বৃদ্ধি পায়
ধোয়ার পর কাপড়ের রঙ উঠবে না
কাপড় হতে ভুশকী ঊঠে না
রঙ জ্বলে যায় না
সাইজ ট্যাগ ঠিক থাকে
এক্ষেত্রে অসুবিধাঃ 
সময় সাপেক্ষ
ডায়িং ফ্যাক্টরী পাওয়া যায় না
গারমেন্টস ফ্যাক্টরী পাওয়া দুষ্কর
হাতের কাছে প্রিন্টিং ফ্যাক্টরী পাওয়া যায় না
প্রিন্ট নষ্ট হয়ে যাওয়ার ভয় থাকে
বিক্রি না হবার ভয় থাকে
এই ক্ষেত্রে আমার মতামতঃ এই মানের পণ্য নিয়ে ব্রান্ডিং করা সম্ভব। কাস্টমার ফিরে ফিরে আসবে। প্রয়োজনে মাসে একটি মেলা করুন। যেভাবেই হোক করুন মার্কেটিংপ্ডিরাইজ না কমিয়ে ডিস্কাউন্ট দিন বিক্রি আবার না হয় কেমনে তখন দেখবো নে?
৩. ফুল মেড টিশার্ট কিনে 
এ ক্ষেত্রে যা করা হয় তা হলটিশার্ট পুরাই রেডি থাকে। আপনি শুধু কিনবেন আর বিক্রি করবেন।
এক্ষেত্রে সুবিধাঃ
সহজে প্রাপ্যতা
বহু ডিজাইন
দাম কম হওয়াতে অনেক টিশার্ট কেনা যায়
এক্ষেত্রে অসুবিধাঃ 
কাপড় মান সম্পন্ন হতে নাও পারে
অনেক ক্ষেত্রে অতিরিক্ত সেলাই খরচ পোষাতে হতে পারে
ধোয়ার পর কাপড়ের রঙ উঠতে পারে
কাপড় হতে ভুশকী ঊঠতে
রঙ জ্বলে যেতে পারে
সাইজ ট্যাগ ভুল থাকতে পারে
এক সাথে অনেক কিনে রাখতে হয়

-Mahabubur Rahaman Arman

Saturday, 19 October 2013

আত্মনির্ভরশীলতায় বুটিক হাউস

গতানুগতিক শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে চাকরির আশায় বসে না থেকে ভিন্নধর্মী পেশা বা ব্যবসায় নিয়োজিত হলে খুব সহজেই উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ গড়া যায়। বর্তমান প্রেক্ষাপটে বুটিক হাউসের ব্যবসার চাহিদা ব্যাপক। ক্রমেই প্রসারিত হচ্ছে এ সেক্টরটি। তা ছাড়া তরুণ-তরুণীরা ফ্যাশনের প্রতি বেশি সচেতন হয়ে উঠেছে। সেই সঙ্গে তাদের এই সচেতনতার ওপর নির্ভর করে দেশে গড়ে উঠছে অনেক ফ্যাশন হাউস, বুটিক হাউস, জরি হাউস ইত্যাদি। দেশের ফ্যাশন বিপ্লবে তরুণদেরই জয়-জয়কার। রাজধানী পেরিয়ে ফ্যাশনের এই বিপ্লব ছড়িয়ে পড়েছে দেশের প্রতিটি ছোট-বড় শহরে। ইচ্ছাশক্তি, পরিশ্রম আর সৃজনশীল তরুণদের জন্য বুটিক হাউসের ব্যবসা হতে পারে কর্মসংস্থানের অন্যতম উপায়। বুটিক হাউসকে ব্যবসা হিসেবে গ্রহণ করে যে কেউ হতে পারেন আত্দনির্ভরশীল ও মর্যাদাবান। সেই সঙ্গে বদলাতে পারেন নিজের ভাগ্য। উন্নতির ছোঁয়া লাগতে পারে ক্যারিয়ারে। গতানুগতিক চাকরির আশায় না থেকে যদি নিজেরাই উদ্যোগী হয়ে এরকম বুটিক হাউস গড়তে পারি তাহলে ভাগ্য বদলে যেতে পারে।

প্রাথমিক প্রস্তুতি : যে কোনো ব্যবসা শুরুর আগে দরকার প্রস্তুতি। সৃজনশীলতা, হাউস বা দোকানের অবস্থান, বিষয়বস্তু নির্ধারণ করে আপনাকে এ ব্যবসায় নামতে হবে। ভালো হয় প্রতিষ্ঠিত ব্যবসা কেন্দ্রের সঙ্গে যোগাযোগ করে অভিজ্ঞতা শেয়ার করা। এটি সহায়ক ভূমিকা রাখে।

পরিকল্পনা : কত টাকা লাগবে, কোথায় ব্যবসাটি লাভজনক হবে, কোন ধরনের পোশাক প্রস্তুত করবেন, কাপড় বা পোশাকে ব্যবহৃত পণ্যগুলো কোথায় পাওয়া যাবে ইত্যাদি জেনে এদের প্রয়োজনীয় ঠিকানা ও ফোন নম্বর জোগাড় করে তবেই বুটিক ব্যবসায় নামা উচিত। সবশেষে প্রয়োজনীয় অর্থ, মানসিক ও শারীরিক প্রস্তুতি নিয়েই যে কোনো বুটিক ব্যবসায় নামা ভালো। কারণ সবার আগে মনের জোরই আসল।
যেভাবে শুরু করবেন : সৃজনশীল মানুষের জন্য বুটিক ব্যবসা হতে পারে একটি আদর্শ পেশা। ছোটখাটো ব্লক বা বুটিকের জন্য প্রাথমিক পুঁজি ৫০-৬০ হাজার টাকার মতো লাগবে। দক্ষ ২-৩ জন কর্মচারী খুঁজে বের করতে হবে, যিনি মেশিনে কাপড় তৈরি ও সেলাই করবেন। এ ছাড়া ব্লক বুটিকের জন্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য যেমন_ টেইলারিং মেশিন, কাঠের ডাইস, রং, বিভিন্ন রংয়ের সুতা, সুই ও সবশেষে কাপড় লাগবে। এসব পণ্য কেনা যাবে ঢাকার গাউছিয়া, চকবাজার, চাঁদনীচক, নিউমার্কেটের দোকানগুলোতে। পণ্য কেনার আগে একজন দক্ষ লোকের সহায়তা নিলে উপকৃত হবেন। বুটিক হাউসে বিনিয়োগ নির্ভর করে প্রতিষ্ঠানটি কোথায়, কী আকারে, কী ধরনের করবেন, কী ধরনের ক্রেতা আকর্ষণ করবেন তার ওপর।
বাজারজাতকরণ : দেশে এবং দেশের বাইরে বুটিক হাউসের নিজস্ব পোশাকের যথেষ্ট কদর রয়েছে। তবে সেটি নির্ভর করে পণ্যের ডিজাইন, কাপড়ের সেলাই, গুণগত মান, আধুনিকতা ও ভিন্নধর্মী উপস্থাপনার ওপর। ক্রেতাদের সন্তুষ্টি এবং ধারাবাহিকতা বজায় থাকলেই পণ্যটি ভালো চলবে। শুরুতে আত্দীয়-স্বজন, প্রতিবেশী বা মহল্লার সবাইকে জানিয়ে ব্যবসাটি আরম্ভ করা ভালো। এতে একটা নিজস্ব ক্রেতাগোষ্ঠী গড়ে উঠবে। কম মূল্যে একটি ভালো ও আধুনিক মানের পোশাক সরবরাহের লক্ষ্য নিয়ে এগুলেই দিন দিন সুনাম ও ব্যবসা বাড়বে।
যোগাযোগ : পোশাক তৈরি শেষে এগুলো বিক্রির জন্য বড় বড় পাইকারি মার্কেট, চকবাজার বা নিউমার্কেটের অভিজাত দোকানগুলোতে যোগাযোগ করতে পারেন। নিজস্বতা প্রমাণ করে এসব প্রতিষ্ঠানে পাইকারি হারে পোশাক সরবরাহ করতে হবে। খরচ বাদে লাভের একটা অংশ নির্দিষ্ট করেই পোশাক
বাজারে ছাড়তে হবে।
প্রশিক্ষণ : বুটিক হাউস তৈরি বা এ ব্যবসা শুরু করার আগে প্রশিক্ষণ নিতে পারেন বেশ কয়েকটি সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে। এসব প্রতিষ্ঠানে স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদি কোর্স সম্পন্ন করে পা রাখতে পারেন এ সেক্টরে। বদলাতে পারেন আপনার ভাগ্য, গড়তে
পারেন উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ। সবচেয়ে বড় কথা হলো আত্দনির্ভরশীল হওয়া যায়।
সুত্র: বাংলাদেশ প্রতিদিন।

Thursday, 12 September 2013

বিদ্যুতের ৩২ হাজার খুঁটি কেনা হবে

Untitled-3দেশের পল্লী অঞ্চলে বিদ্যুৎ-সংযোগ দিতে আরও ৩১ হাজার ৯২৫টি খুঁটি কেনার প্রস্তাব অনুমোদন করেছে সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি। এতে ব্যয় হবে ৬২ কোটি ৫১ লাখ টাকা।
সচিবালয়ে গতকাল সোমবার অনুষ্ঠিত ক্রয় কমিটির বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব নুরুল করিম সাংবাদিকদের এ কথা জানান। অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত এ সময় উপস্থিত ছিলেন। দেশীয় প্রতিষ্ঠান ক্যাসেল কনস্ট্রাকশন কোম্পানি লিমিটেড এসব খুঁটি সরবরাহ করবে বলে জানান নুরুল করিম।
পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের (আরইবি) বাস্তবায়নাধীন পল্লী বিদ্যুতায়ন সম্প্রসারণ প্রকল্পের আওতায় ১৮ লাখ নতুন গ্রাহককে বিদ্যুৎ-সংযোগ দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। এটি বাস্তবায়নে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে পাঁচ হাজার ৪১৩ কোটি টাকা।
জানা গেছে, প্রকল্পের একটি অংশের খুঁটি সংগ্রহের জন্য দরপত্রে প্রাক্কলিত দর ছিল ৫২ কোটি ৮০ লাখ টাকা। এ থেকে প্রায় ১০ কোটি টাকা বাড়িয়ে প্রস্তাবটি অনুমোদিত হয়।
সূত্র জানায়, খুঁটির দর প্রস্তাবে তিনটি সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান অংশ নেয়। এর মধ্যে ক্যাসেল কনস্ট্রাকশন কোম্পানি ৬২ কোটি ৫১ লাখ টাকা, দাদা ইঞ্জিনিয়ারিং ৬৪ কোটি ৪১ লাখ টাকা এবং রয়েল গ্রিন প্রডাক্টস ৬৪ কোটি ৬৬ লাখ টাকা দর উল্লেখ করে। সর্বনিস্ন দরদাতা হিসেবে কাজ পায় ক্যাসেল কনস্ট্রাকশন।
প্রকল্পের আওতায় পাঁচ লটে মোট এক লাখ ৯৩ হাজার ৩২৫টি বিভিন্ন আকারের খুঁটি সংগ্রহ করা হবে। ক্রয় কমিটি এর আগে দুই লটে ৫০ হাজার ৬৫০টি খুঁটি কেনার দরপ্রস্তাবও অনুমোদন দিয়েছিল।
বৈঠকে আরও তিনটি দরপ্রস্তাব অনুমোদিত হয়। এর মধ্যে ৫০ হাজার টন গম আমদানি এবং ৩০ হাজার টন ইউরিয়া সার সংগ্রহ। গম আমদানিতে ব্যয় হবে ১১১ কোটি ৬৫ লাখ টাকা। আর সারে ব্যয় হবে ৭২ কোটি ৭৬ লাখ টাকা।
অন্যটি হলো গণ খাতে ক্রয়সংক্রান্ত সংস্কার প্রকল্পের আওতায় একটি উন্নয়ন কৌশল চূড়ান্ত করার প্রস্তাব। ১৯ কোটি ৭৯ লাখ টাকার এ কাজ পেয়েছে ব্র্যাক ইনস্টিটিউট অব গভর্ন্যান্স স্টাডিজ।
সুত্র: prothom-alo.com